Monday, March 2nd, 2026, 8:15 pm

রাকসু জিএসের সঙ্গে ছাত্র অধিকার পরিষদ সভাপতির বাকবিতণ্ডা

 

ফেসবুক কমেন্টে ‘চুলকানি শুরু, মলমের নাম নুরু’ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)–এর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার এবং রাবি ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি মেহেদী মারুফের মধ্যে বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার (২ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে রাকসু ভবনের সাধারণ সম্পাদকের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, এর আগে ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি মেহেদী মারুফ তার সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে জিএসের কার্যালয়ে যান। সেখানে ফেসবুকে দেওয়া মন্তব্যকে কেন্দ্র করে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে কথা কাটাকাটি ও বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন তারা। এ সময় ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদকসহ কয়েকজন নেতাকর্মীও উত্তেজিত হয়ে ওঠেন।

কার্যালয় থেকে বের হয়ে মেহেদী মারুফ বলেন, একজন সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে তিনি রাকসুর কার্যক্রম নিয়ে একটি পোস্ট করেছিলেন। সেই পোস্টের কমেন্টে জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, কমেন্ট চালাচালির এক পর্যায়ে জিএস বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ‘মালখোর’, ‘চোদনা’, ‘আবাল’ ইত্যাদি আপত্তিকর শব্দ ব্যবহার করেছেন। “একজন নির্বাচিত জিএস হিসেবে এ ধরনের ভাষা ব্যবহার অনাকাঙ্ক্ষিত ও নৈতিক স্খলনের শামিল,” বলেন মারুফ।

তিনি জানান, এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে তারা রাকসুর সভাপতি ড. সালেহ হাসান নকিবের কাছে যাবেন।

অন্যদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, একটি কমেন্টকে অযথা টেনে এনে বিষয়টি বড় করা হচ্ছে। “যখন সবাই রাজনীতির মাঠে নীরব, তখন তারা মিডিয়া অ্যাটেনশন নেওয়া এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ অস্থিতিশীল করার জন্য এমন পরিস্থিতি তৈরি করছে,” দাবি করেন তিনি।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মেহেদী মারুফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাকসুর সমালোচনা করে লেখেন, ‘রাকসু ফরজ কাজ বাদ দিয়ে নফল কাজেই বেশি মনোযোগী এবং পারদর্শী। হবেই না বা কেন? নফল দিয়েই যদি বৈতরণি পার হওয়া যায়, তাহলে ফরজের আর দরকারটা কি!’

ওই পোস্টের কমেন্টে জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার লেখেন, ‘চুলকানি শুরু, মলমের নাম নুরু’। এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই পরবর্তীতে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

এনএনবাংলা/