Thursday, April 16th, 2026, 1:55 pm

এসএসসি পরীক্ষায় ফিরলো ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’

 

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আবারও চালু করা হচ্ছে ‘নীরব বহিষ্কার’ বা ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ ব্যবস্থা। সম্প্রতি প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত নীতিমালা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

নীতিমালা অনুযায়ী, পাবলিক পরীক্ষায় কোনো পরীক্ষার্থীকে হাতেনাতে না ধরেও পরীক্ষার হলে নিয়মভঙ্গের অভিযোগে ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ করা যেতে পারে। যেমন— কথা বলা, ঘাড় ঘোরানো, দেখাদেখি করা বা অন্য কোনো অসদুপায় অবলম্বনের লক্ষণ দেখা গেলে দায়িত্বরত পরিদর্শক এই ব্যবস্থা নিতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে পরীক্ষার্থী তাৎক্ষণিকভাবে বুঝতে পারেন না যে তিনি বহিষ্কৃত হয়েছেন, তবে পরবর্তীতে তার পরীক্ষার খাতা বাতিল করা হয়।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, কোনো পরীক্ষার্থীকে অসদুপায় অবলম্বন বা অন্য কোনো কারণে বহিষ্কার কিংবা নীরব বহিষ্কার করা হলে তার সৃজনশীল উত্তরপত্রের কভার পৃষ্ঠার প্রথম অংশ না ছিঁড়ে প্রত্যবেক্ষকের প্রতিবেদন সংযুক্ত করতে হবে। এরপর বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রদত্ত গোপনীয় ফরম অনুযায়ী সঠিকভাবে প্রস্তুত করে বিষয় ও পত্রের পরীক্ষা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওই পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র আলাদা প্যাকেটে সংরক্ষণ করতে হবে।

এ প্যাকেটের ওপর লাল কালি দিয়ে স্পষ্টভাবে ‘রিপোর্টেড’ লিখে কেন্দ্রের অন্যান্য উত্তরপত্রের বাক্স বা বস্তার সঙ্গে আলাদাভাবে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, নীরব বহিষ্কারের ক্ষেত্রে এর কারণ প্রত্যবেক্ষকের প্রতিবেদনে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। নীরব বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীদের সঙ্গত কারণেই পরবর্তী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হবে।

তবে পরবর্তী কোনো বিষয়ে পরীক্ষার্থী অসদুপায় অবলম্বন না করলেও তার পরবর্তী সব বিষয়ের সৃজনশীল উত্তরপত্র (কভার পৃষ্ঠার প্রথম অংশ না ছিঁড়ে) এবং নৈর্ব্যক্তিক উত্তরপত্র সংশ্লিষ্ট বিষয়, পত্র ও নীরব বহিষ্কারের কারণ উল্লেখ করে পৃথক প্যাকেটে সংরক্ষণ করতে হবে এবং তা কেন্দ্রের উত্তরপত্রের বাক্স বা বস্তায় আলাদাভাবে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে জমা দিতে হবে।

এনএনবাংলা/পিএইচ