নিজস্ব প্রতিবেদক:
অবশেষে শেষ হলো সুন্দরবনে যাওয়ার নিষাধাজ্ঞা। বুধবার (১লা সেপ্টেম্বর) থেকে সুন্দরবনে ভ্রমণে যেতে পারছেন পর্যটকরা। ভ্রমণপিপাসুদের জন্য খুলে দেয়া হয়েছে পর্যটনের সবগুলো স্পটই। যদিও প্রথমদিন হওয়ায় বুধবার (১লা সেপ্টম্বর) দুপুর পর্যন্ত সুন্দরবনে প্রবেশের জন্য কেউ আবেদন করেননি। সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. আবু নাসের মো. মহসিন জানান, করোনার কারণে এতোদিন সুন্দরবনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ছিল। তা তুলে নেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সুন্দরবনের বনজ সম্পদ আহরণের জন্যও পাশ পারমিট দেয়া হবে। তিনি আরও জানান, সুন্দরবনের করমজল, কটকা, কচিখালী, হরবাড়িয়া, হিরেনপয়েন্ট, দুবলা, ও নীলকমলসহ সমুদ্র তীরবর্তী এবং বনাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে লঞ্চ, ট্যুরবোট, ট্রলার, ও বিভিন্ন নৌযান চড়ে যেতে পারবেন দর্শনার্থীরা। সুন্দরবনের পর্যটন খাতকে কেন্দ্র করে হাজার হাজার মানুষ জীবিকা নির্বাহ করলেও করোনার কারণে থমকে যায় রাজস্ব আদায়ের গুরুত্বপূর্ণ এই খাত। ‘ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব সুন্দরবন’-খুলনা শাখার সভাপতি এম নাজমুল আযম ডেভিড জানান, আর কয়েকদিন পর থেকেই পর্যটন মৌসুম শুরু হবে। এজন্য খুলনার শতাধিক ট্যুর অপারেটর সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছেন। বনে প্রবেশের আগে জাহাজ, লঞ্চগুলোকে ভালোভাবে জীবাণুমুক্ত করা হবে বলেও জানান তিনি। গত রোববার বিকেলে বন বিভাগের এক সভায় সুন্দরবনে প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হয়। তবে একটি লঞ্চে ৭৫ জনের বেশি পর্যটক যেতে পারবেন না বলে সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গত বছরের ২৫ মার্চ থেকে সুন্দরবনের পর্যটকদের যাতায়াতের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে বন বিভাগ।

আরও পড়ুন
ক্ষমতার ভর জনগণের কাছে নিতে চাইলে গণভোট দিতে হবে: রিজওয়ানা হাসান
হলফনামায় প্রদর্শিত হয়নি এমন সম্পদের মালিককে শাসক হিসেবে চাই না : দুদক চেয়ারম্যান
মতপার্থক্য থাকবে, কিন্তু মতবিভেদ নয়: তারেক রহমান