পাবনা প্রতিনিধি :
পাবনার ফরিদপুর উপজেলায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী নাফিউল করিম সোহান হত্যা মামলার সাত মাস পর কবর থেকে তার মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে। শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে গতকাল দুপুরে এই মরদেহ উত্তোলন করা হয়।
পাবনার ফরিদপুর উপজেলার দিঘুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও গণবিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী নাফিউল করিম সোহান। গত বছরের ৯ জুন সকালে ঘুম থেকে না উঠলে পরিবারের সদস্যরা তার মরদেহ দেখতে পান।
ঘটনার প্রায় সাত মাস পর আজ মঙ্গলবার দুপুরে পাবনা জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রণয় কুমার বীরের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি মেডিকেল টিম কবর থেকে নাফিউল করিম সোহানের মরদেহ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। এ সময় ফরিদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: শামিম আকনজি উপস্থিত ছিলেন।
নিহতের মা নাসিমা আক্তারের অভিযোগ, বাড়ির সামনে জমি কেনাকে কেন্দ্র করে নাফিউলের চাচা ইব্রাহিম হোসেন, নজরুল ইসলাম ও চাচাতো ভাইদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। গত বছরের ২৪ এপ্রিল ওই জমির মাটি কাটা নিয়ে প্রকাশ্যে ঝগড়ার সময় নাফিউলকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলে দাবি পরিবারের।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ৫ জুন বাড়িতে ফেরেন নাফিউল। ৮ জুন রাতে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। পরদিন সকালে তার মরদেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের অভিযোগ, চাচা ও চাচাতো ভাইরা মিলে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে।
এ ঘটনায় গত বছরের ৪ আগস্ট নিহতের মা নাসিমা আক্তার বাদী হয়ে ছয়জনকে আসামি করে পাবনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৩০২/৩৪ ধারায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এদিকে মরদেহ উত্তোলনের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে নিহতের পরিবার।

আরও পড়ুন
৯ স্থানে নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা, বিএনপি-জামায়াতের হামলা সংঘর্ষ, আহত ৪০
টাঙ্গাইলে বৃদ্ধ দম্পতিকে হত্যা, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট
হাইকোর্টে খারিজ হলো কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ দাদার বিরুদ্ধে জামায়াত প্রার্থীর আপিল