অনলাইন ডেস্ক :
করোনা অতিমারি নিয়ন্ত্রণে বেইজিংয়ের কঠোর নীতি ও তৎপরতার বিরুদ্ধে বেশ কিছু প্রতিবাদ বিক্ষোভ এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর গুয়াংঝোউতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের পর কর্তৃপক্ষ সেখানে কোভিড বিধিনিষেধ শিথিল করেছে। চীন তার ‘শূন্য কোভিড নীতি’র আওতায় ব্যাপকহারে লকডাউন, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারিসহ গণহারে করোনা পরীক্ষা করে আসছে যার বিরুদ্ধে ক্রমশ প্রতিবাদে সোচ্চার হয়ে ওঠছে দেশের জনগণ। তবে বিশ্বের অধিকাংশ দেশ ইতোমধ্যে কোভিড কড়াকড়ি অনেকটাই শিথিল করে নিয়েছে। এ সপ্তাহে কোভিড কড়াকড়ির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে চীনের সাংহাই, বেইজিং ও অন্যান্য শহরগুলোয় যা ২০১২ সালে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ক্ষমতায় আসার পর একটি অবিস্মরণীয় ঘটনা। গত বুধবার দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলীয় শহর চংকিংয়ের একজন কর্মকর্তা জানান শহরটিতে লোকজনের চলাফেরায় বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়েছে এবং কোভিড আক্রান্তদের বাড়িতে কোয়ারেন্টিনে থাকতে বলা হয়েছে। কিন্তু দেশজুড়ে কোভিড বিধিনিষেধ শিথিল করার পর বিষয়টিকে জীবন রক্ষায় প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের শূন্য কোভিড নীতির বিষয়ে একটি বড় ধরনের ইউটার্ন হিসেবেই দেখা হচ্ছে। আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে হংকং ভিত্তিক প্রতিবেদকের বরাত দিয়ে জানানো হয় গুয়াংঝোউতে বিক্ষোভ সহিংস রূপ নেয়। শহরটিতে করোনা সংক্রমণ সাম্প্রতিক সময়ে মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয় বিক্ষোভ দেশটির অন্যান্য বড় শহরগুলোতেও ছড়িয়ে পড়ে। এদিকে সহিংসতা এড়াতে চীনের শীর্ষ নিরাপত্তা সংস্থা ‘শত্রুতাপূর্ণ শক্তি’র বিরুদ্ধে অভিযানের ডাক দিয়েছে। তবে সরকার কী করবে তা এখনও পরিষ্কার নয় আর এসব বিক্ষোভে বাইরের শক্তির হস্তক্ষেপের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন
‘সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ডের’ নিন্দা জানাতে ইরানের রাস্তায় দাঙ্গার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া কঠোর করল অস্ট্রেলিয়া
ইরানের পরিস্থিতি ‘সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে’, দাবি আরাগচির