যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলের প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করেছেন ইউরোপীয় নেতারা। ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, পোল্যান্ড, স্পেন ও যুক্তরাজ্যের নেতারা এক যৌথ বিবৃতিতে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেনের সঙ্গে একমত হয়ে গ্রিনল্যান্ডের সার্বভৌমত্ব পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্ক–সংক্রান্ত যে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার একমাত্র এই দুই পক্ষেরই রয়েছে। বাইরের কোনো শক্তির হস্তক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন এবং ন্যাটোর মূল চেতনার পরিপন্থি।
এর আগে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, আর্কটিক অঞ্চলে চীন ও রাশিয়ার প্রভাব বাড়ার কারণে ন্যাটোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ করা প্রয়োজন। হোয়াইট হাউজের উপপ্রধান চিফ অব স্টাফ স্টিফেন মিলারও এক সাক্ষাৎকারে একই অবস্থান জানিয়ে বলেছেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক নিরাপত্তা কৌশলের অংশ।

তবে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন এবং গ্রিনল্যান্ডের নেতারা স্পষ্টভাবে এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। তারা জানিয়েছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ ন্যাটোকে দুর্বল করতে পারে এবং ইউরোপের নিরাপত্তা কাঠামোকে ঝুঁকির মুখে ফেলবে।
স্টিফেন মিলার অবশ্য নিশ্চিত করেছেন, গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে না এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কেউ সামরিকভাবে লড়াই করবে না।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের এই টানাপোড়েন ভবিষ্যতে ন্যাটো জোটের অভ্যন্তরীণ ঐক্য এবং ট্রান্স-আটলান্টিক সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
এনএনবাংলা/

আরও পড়ুন
মতপার্থক্য থাকবে, কিন্তু মতবিভেদ নয়: তারেক রহমান
১৬ মাসে সবচেয়ে বেশি সাইবার বুলিংয়ের শিকার হয়েছি: আসিফ নজরুল
ইরানে সরকার বিরোধী বিক্ষোভ তুঙ্গে, নিহতের সংখ্যা ২০০ ছাড়ালো