রাজধানীতে আয়োজিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির ইফতার মাহফিলে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিরোধী দলটির আমন্ত্রণে তিনি অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
ইফতার অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ও জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান একই টেবিলে বসেন। তাদের সঙ্গে বিএনপি ও জামায়াতের শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে দাওয়াতের জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজকের এই ইফতার মাহফিলে আমরা আল্লাহর নামে শপথ করি—আমাদের আগামী দিনের প্রতিটি কাজ হবে দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্যে। আল্লাহর দরবারে আমরা সেই রহমত প্রার্থনা করি, যাতে তিনি আমাদের এই দেশের মানুষের কল্যাণে এবং দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে কাজ করার তৌফিক দান করেন।”
তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ এখন অনেক আশা ও প্রত্যাশা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর দিকে তাকিয়ে আছে। সাম্প্রতিক নির্বাচনকে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্রের যাত্রা পুনরায় শুরু হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে গণতন্ত্রের জন্য যে ত্যাগ স্বীকার করা হয়েছে—জীবনদান, নির্যাতন, গুম ও হত্যার মতো ঘটনা—তার ফলেই আজ গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
“এই ত্যাগ ও আত্মত্যাগের বিনিময়েই আমরা বাক-স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেয়েছি। তাই প্রথমেই আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করা উচিত,”—যোগ করেন তিনি।
ইফতার মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও মঈন খান, বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিসর আমির মামুনুল হক, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সংসদ সদস্য সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)র মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, ন্যাশনাল সিটিজেনস পার্টির সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, নাগরিক ঐক্যর সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির সভাপতি অলি আহমদ, ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েমসহ বিভিন্ন দলের সংসদ সদস্য, বিশিষ্ট ব্যক্তি ও সাংবাদিকরা।


আরও পড়ুন
স্কুলে ৫৩ শিক্ষার্থীর মৃত্যু বিনা জবাবে ছেড়ে দেওয়া হবে না: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও আইআরজিসি প্রধান নিহত
ইরানে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলা নিয়ে কোন দেশের কী প্রতিক্রিয়া