ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বর্তমানে তেহরানে নেই। তাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে।
এদিকে বিবিসি আরবির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরানে খামেনির সদর দফতর এবং প্রেসিডেন্সিয়াল প্রাসাদের আশপাশে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। একই তথ্য দিয়েছে ইসনা নিউজ এজেন্সি। সংস্থাটি জানায়, খামেনির কার্যালয় ও প্রেসিডেন্সিয়াল প্রাসাদসংলগ্ন এলাকায় ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে।
তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম নিশ্চিত করেছে যে, প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান সুস্থ রয়েছেন এবং তার কোনো ক্ষতি হয়নি। একই তথ্য প্রকাশ করেছে মেহের নিউজ এজেন্সি ও ইসনা।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে ব্যাপক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তা চেকপোস্ট বসানো হয়েছে এবং সাধারণত জনবহুল সড়কগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে।
সাংবাদিকরা একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন। তবে সেগুলো বিমান হামলার ফল নাকি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সক্রিয়তার কারণে—তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তেহরানের দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা গেছে।
উল্লেখ্য, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোররাত থেকে ইরানে একযোগে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর জবাবে পাল্টা হামলা চালাচ্ছে ইরানও। চলমান এই সংঘাতের জেরে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।


আরও পড়ুন
স্কুলে ৫৩ শিক্ষার্থীর মৃত্যু বিনা জবাবে ছেড়ে দেওয়া হবে না: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও আইআরজিসি প্রধান নিহত
ইরানে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলা নিয়ে কোন দেশের কী প্রতিক্রিয়া