রংপুর ব্যুরো:
রংপুরে দুর্নীতি ও মানি লন্ডারিং মামলায় সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। সোমবার (২০ এপ্রিল ২০২৬) স্পেশাল জজ (জেলা ও দায়রা জজ) আদালত, রংপুরে আত্মসমর্পণের পর তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। আদালত সূত্রে জানা যায়, তাজহাট থানার মামলা নং-০৫, তারিখ ০৬ ডিসেম্বর ২০১৮; জি.আর. নং-৪৯/১৮ (তাজহাট) এবং স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল মামলা নং-১৬/২২-এ মোছা. মায়া ইসলাম (৪৫) ও মো. শামসুল ইসলাম (৫৫) কে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। মো. শামসুল ইসলাম রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের জেএম শাখার সাবেক অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, বর্তমানে বরখাস্তকৃত। গত ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখে আদালত দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারাসহ দন্ডবিধির ১০৯ ধারায় আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাদের দোষী সাব্যস্ত করেন। রায়ে আদালত দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ধারায় প্রত্যেককে ১ বছর করে সশ্রম কারাদন্ড এবং ২৭(১) ধারায় ৩ বছর করে সশ্রম কারাদ দেন। একইসঙ্গে প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে অর্থদন্ড, অনাদায়ে আরও ১ মাস কারাদন্ডের আদেশ দেওয়া হয়। এছাড়া দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় প্রত্যেককে ৪ বছর করে সশ্রম কারাদন্ড এবং ২০ লাখ টাকা করে অর্থদন্ড দেওয়া হয়। অর্থদন্ড অনাদায়ে আরও ৩ মাস করে বিনাশ্রম কারাদন্ড ভোগ করতে হবে। এ ক্ষেত্রেও অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেন আদালত। সোমবার সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক মো. বদরুল আলম ভূঞা তাদের রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। মামলার বাদী ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সমর কুমার ঝাঁ।#


আরও পড়ুন
নড়াইলে পাম্প থেকে তেল নিয়ে ফেরার পথে নারীর মৃত্যু
কালকিনিতে নদী থেকে বালু উত্তোলনের ফলে সড়ক ধসে বিলীনের পথে!
ডাসারে বাড়ির নিচের গুদাম থকে ৩৭ হাজার লিটার তৈল জব্দ