Sunday, March 8th, 2026, 12:57 pm

চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়েছে গ্যাস ও তেলবাহী ৮ জাহাজ

 

হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে গ্যাসবাহী চারটি জাহাজ ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এর বাইরে আজ রোববার (৮ মার্চ) দুপুর ২টায় এলপিজি সেভেন নামের আরও একটি তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)বাহী জাহাজ বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। ওমানের সোহার বন্দর থেকে রওনা হওয়া জাহাজটি ২২ হাজার ১৭২ মেট্রিক টন গ্যাস নিয়ে আসছে। এছাড়া আরও তিনটি জাহাজ বাংলাদেশ অভিমুখে রয়েছে।

বন্দর সূত্র জানায়, কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বহনকারী আল জোরা নামের জাহাজটি ৬৩ হাজার ৩৮৩ মেট্রিক টন কার্গো নিয়ে গত ৩ মার্চ সকাল সাড়ে ৯টায় চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। একই বন্দর থেকে আসা আল জাসাসিয়া জাহাজটি ৬৩ হাজার ৭৫ মেট্রিক টন এলএনজি নিয়ে ৫ মার্চ সকাল সাড়ে ১০টায় বন্দরে পৌঁছায়।

এদিকে কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে ৬২ হাজার ৯৮৭ মেট্রিক টন এলএনজি নিয়ে আসা লুসাইল জাহাজটি সোমবার (৯ মার্চ) চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়বে বলে জানা গেছে। একই বন্দর থেকে রওনা হওয়া আরও দুটি জাহাজও বাংলাদেশে আসার পথে রয়েছে। এর মধ্যে ৫৭ হাজার ৬৬৫ মেট্রিক টন এলএনজি বহনকারী আল গালায়েল জাহাজটি আগামী ১১ মার্চ এবং ৬২ হাজার মেট্রিক টন এলএনজি বোঝাই লেব্রেথাহ জাহাজটি ১৪ মার্চ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

অন্যদিকে, ওমানের সোহার বন্দর থেকে আসা জি-ওয়াইএমএন নামের একটি এলপিজি জাহাজ ১৯ হাজার ৩১৬ মেট্রিক টন কার্গো নিয়ে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ভোর ৫টা ৩০ মিনিটে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে।

এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর থেকে মেরিন ইথানল গ্যাস (এমইজি) বহনকারী বে-ইয়াসু জাহাজটি ৫ হাজার ১৯ মেট্রিক টন কার্গো নিয়ে ৫ মার্চ সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে বন্দরে পৌঁছায়।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা সৈয়দ রেফায়েত হামিম ঢাকা পোস্টকে জানান, মোট আটটি জাহাজ ইতোমধ্যে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। এর মধ্যে চারটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে, একটি আজ পৌঁছাবে এবং বাকি তিনটি জাহাজ বাংলাদেশে আসার পথে রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা এবং এর পাল্টা প্রতিক্রিয়াকে কেন্দ্র করে হরমুজ প্রণালি এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে বাংলাদেশের বড় অংশের জ্বালানি পণ্য এই প্রণালি ব্যবহার করেই আমদানি করা হয়। ফলে পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে ভবিষ্যতে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এনএনবাংলা/পিএইচ