নড়াইল প্রতিনিধি:
নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় বোরো ধানের শীষে পেনিকেল ব্লাইট নামক রোগের ব্যাপক আক্রমণ দেখা দিয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন ব্লকের প্রায় ১৫ হেক্টর (প্রায় ৪৮ একর) বোরোধানে এই রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় কৃষকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও হতাশা বিরাজ করছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে দ্রুত রোগ নিয়ন্ত্রণ ও কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী কৃষকেরা।
স্থানীয় কৃষকেরা জানান, কিছুদিন আগেই ঝড়ের কারণে ব্লাস্ট রোগে (বিএলবি) ধানের ক্ষতির ধাক্কা সামলাতে না সামলাতেই এবার নতুন করে পেনিকেল ব্লাইট রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বোরো ধান। উপজেলার ছোট কালিয়া, বড় কালিয়া, বাগডাঙ্গা ও সালামাবাদ বিলসহ একাধিক এলাকায় এ রোগে বোরো ধান আক্রান্ত হচ্ছে। কৃষকদের দাবি, আক্রান্ত ধানক্ষেতে সঠিক পরামর্শ ও দ্রুত প্রতিকার না পাওয়ায় তাঁরা বাধ্য হয়ে স্থানীয় কীটনাশক দোকানদারদের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ প্রয়োগ করছেন। তবে, এতে কাঙ্ক্ষিত ফল মিলছে না বলে অভিযোগ তাঁদের।
উপজেলার পাটনা গ্রামের কৃষক সুব্রত ভৌমিক, সালবরাত গ্রামের সমীর বিশ্বাস ও উত্তম বিশ্বাস, টোনা গ্রামের মশিয়ার রহমান, রামনগর গ্রামের সুভাষ এবং চাঁদপুর গ্রামের কৃষাণী কাজল খান অভিযোগ করে বলেন, মাঠে কৃষি কর্মকর্তাদের নিয়মিত উপস্থিতি না থাকায় তাঁরা চরম সংকটে পড়েছেন এবং সঠিক দিকনির্দেশনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
কালিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, পেনিকেল ব্লাইট রোগে আক্রান্তের বিষয়টি তাঁর জানা নেই এবং উপ—সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা এ বিষয়ে এখনো তাঁকে অবহিত করেননি।
নড়াইল জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ—পরিচালক মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম বলেন, কালিয়া উপজেলায় এ পর্যন্ত প্রায় ১০ হেক্টর জমির ফসল পেনিকেল ব্লাইট রোগে আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৮ হেক্টর জমিতে ইতোমধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।


আরও পড়ুন
কুলাউড়ায় তিন প্রেসক্লাবকে ঐক্যবদ্ধ করার উদ্যোগ নিলেন এমপি শওকতুল ইসলাম
তেল দিতে দেরি হওয়ায় নাটোরে ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুর, বিক্রি বন্ধ
দেওড়াছড়া চা বাগানে ৩ সপ্তাহ ধরে মজুরী বন্ধ; শ্রমিকদের আন্দোলন; অফিসে তালা