বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দকে ঘিরে রাজধানীজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে উৎসবের আমেজ। তীব্র গরমে জনজীবন কিছুটা অস্বস্তিকর হয়ে উঠলেও উদযাপনে ভাটা পড়েনি মানুষের অংশগ্রহণে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল থেকেই রাজধানীর শাহবাগ, রমনা পার্ক, টিএসসি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা এলাকা, ধানমন্ডি, উত্তরা ও মিরপুরে মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। পরিবার, বন্ধু ও প্রিয়জনদের সঙ্গে ঘুরে বেড়ানো, ছবি তোলা এবং পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময়ে মুখর হয়ে ওঠে ঢাকার বিভিন্ন এলাকা।
সকাল থেকে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের উপস্থিতিও বাড়তে থাকে। লাল-সাদা পোশাকে সজ্জিত তরুণ-তরুণীরা দল বেঁধে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। অনেকেই ঐতিহ্যবাহী নকশার পোশাকে ছবি তুলছেন, আবার কেউ সেলফিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। চারুকলা ইনস্টিটিউটের আশপাশে গালে রঙতুলির আঁচড়ে ‘শুভ নববর্ষ’ লিখিয়ে নিতেও দেখা গেছে অনেককে।
এদিকে শাহবাগ মোড়সংলগ্ন ফুলের দোকানগুলোতে ছিল বাড়তি ভিড়। গোলাপ, গাঁদা, রজনীগন্ধাসহ বিভিন্ন ফুলের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দামও কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা।
প্রচণ্ড গরমে স্বস্তি পেতে বেড়েছে পানির চাহিদাও। বিভিন্ন স্থানে বোতলজাত পানি ও ডাব বিক্রেতাদের সরব উপস্থিতি দেখা গেছে। ডাব বিক্রি হয়েছে ১২০ থেকে ১৫০ টাকায়। বিক্রেতা আব্দুর রহমান জানান, গরমের কারণে ডাবের চাহিদা অনেক বেশি এবং সারাদিন ভালো বিক্রি হচ্ছে।
এর আগে সকাল ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে বৈশাখী শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। এতে শিক্ষার্থী, শিক্ষকসহ নানা শ্রেণি-পেশার কয়েক হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
এবারের শোভাযাত্রায় পাঁচটি প্রধান মোটিফ বিশেষভাবে স্থান পায়—মোরগ, দোতারা, পায়রা, হাতি ও ঘোড়া। এগুলো যথাক্রমে শক্তি, সৃজনশীলতা, শান্তি, গৌরব ও গতিময়তার প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।
এনএনবাংলা/


আরও পড়ুন
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু
বর্ণিল আয়োজনে স্থপতি ইনস্টিটিউটের বর্ষবরণ
ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি বাতিলের ঘোষণা ইতালির